Showing posts with label বিপিএল বিতর্ক. Show all posts
Showing posts with label বিপিএল বিতর্ক. Show all posts

3.05.2012

বিপিএল: খেলা দেখতে এসে ফিরে গেলেন অনেকেই

দুরন্ত রাজশাহী আর রবিশাল বার্নার্সের অপ্রত্যাশিত সেমি ফাইনাল ম্যাচ মাঠে গড়াবার আগেই বহু দর্শক মিরপুর স্টেডিয়ামের গেইট থেকে ফেরত গেছে। চট্টগ্রাম নয় বরিশাল সেমিতে খেলছে রাজশাজীর বিপক্ষে, এ খবর মিরপুরের দর্শকরা সকাল নাগাদও জানে না। অনেক দর্শক তো ক্ষোভের সঙ্গে বিপিএলের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে অকথ্য ভাষাও (লেখার অযোগ্য) ব্যবহার করতে ছাড়েনি।
কারণ সব দর্শকই এসেছে চট্টগ্রামের ম্যাচ দেখতে। কিন্তু বরিশালের নাম শুনে তো এক দর্শক বলেই ফেলেন, ‘‘এটা বানানো গল্প ছাড়া আর কিছু নয়। পাকিস্তানি নাগরিক আটক, আর এখন চট্টগ্রামের মালিকের ৩ ম্যাচ ছেড়ে দেবার প্রস্তাব নাকচের খবর শুনে মনে হচ্ছে পুরো বিপিএলই জুয়ার আসর।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের ছাত্র তৌফিক ওমরের (সাধারণ দর্শক) মন্তব্য ‘এই ম্যাচ দেখে সময় নষ্ট করার কোনো মানেই হয় না। এদেশের ক্রিকেটকে শেষ করে দিল বিপিএল।’’

খবরঃ  বার্তা২৪ ডটনেট

কাঠগড়ায় বিপিএল কর্তৃপক্ষ

undefined


অনেক সমালোচনার মধ্যে বিপিএলের প্রথম আয়োজন শেষ করতে পারলেও এই নিয়ে আদালতে দাঁড়াতে হচ্ছে বিপিএল কর্তৃপক্ষকে।

সেমিফাইনালিস্ট নির্ধারণ নিয়ে চট্টগ্রাম কিংসের মামলায় বিপিএল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সাত জনকে তলব করেছে আদালত।

তবে একটি সেমিফাইনাল বাতিল এবং ফাইনাল স্থগিতে জজ আদালতে ব্যর্থ হয়ে হাই কোর্টে গিয়েও বিফল হয়েছে চট্টগ্রামের দলটি।

‘নাটকীয় সিদ্ধান্তে’ সেমিফাইনাল বাদ পড়া চট্টগ্রাম কিংস বুধবার ফাইনাল শুরুর পাঁচ ঘণ্টা আগে বিপিএল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ঢাকার জজ আদালতে মামলা করে। বাদি হন চট্টগ্রাম কিংসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামীর কাদের চৌধুরী।

সোমবার রাতে বিপিএল পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে বাদ পড়ার পর মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনেই মামলা করার কথা জানিয়েছিলেন এস কিউ গ্রুপের মালিক পক্ষের প্রতিনিধি সামীর কাদের।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বেআইনিভাবে সেমিফাইনালে তাদের বাদ দিয়ে বরিশাল বার্নার্সকে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

বিপিএল কর্তৃপক্ষের ওই সিদ্ধান্তের পর সেমিফাইনালে দুরন্ত রাজশাহীকে হারিয়ে ফাইনালেও উঠে যায় আলিফ গ্রুপ মালিকানাধীন দল বরিশাল বার্নার্স।

মামলায় মঙ্গলবার বিপিএল সেমিফাইনালে বরিশালের খেলাটি বাতিল এবং বুধবারের ফাইনাল খেলাটি স্থগিত রাখতে আদালতের নির্দেশ চাওয়া হয়। কিন্তু তাতে আদালতের সায় মেলেনি।

আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির বিষয়টি বিবেচনা করে সেমিফাইনাল বাতিল কিংবা ফাইনাল স্থগিতের কোনো আদেশ দেননি জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন।

তবে এই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে বিপিএলের চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন লিপুসহ সাত বিবাদিকে তলব করেছেন বিচারক। তাদের আগামী ১৫ আদালতে হাজির হতে হবে।

মামলায় এক ও দুই নম্বর বিবাদি করা হয়েছে যথাক্রমে বিপিএল পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুদ্দীন মো. আলমগীর ও ম্যাচ রেফারি মাইক প্রক্টরকে। বরিশাল বার্নার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও বিবাদির তালিকায় রয়েছেন।

জজ আদালতে ফাইনাল স্থগিতের আদেশ না পাওয়ার পর হাই কোর্টে যায় চট্টগ্রাম কিংস। এতে চট্টগ্রাম কিংসকে সেমিফাইনাল থেকে বাদ দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার পাশাপাশি বুধবারের ফাইনালের ওপর নিষেধাজ্ঞা চান সামীর কাদের।

বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি খুরশিদ আলম সরকারের বেঞ্চে এর শুনানি নির্ধারিত হলেও তা পরে ফেরত দেওয়া হয়।

বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার বলেন, বিবাদিদের দুজনকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন। এরপর ‘স্যরি’ বলে আবেদনটি ফেরত দেন তিনি।

এরপর বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের বেঞ্চে রিট আবেদনটি নিয়ে যান সামীর কাদেরের আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ।

তবে শুনানির পর ‘উপস্থাপিত হয়নি’ বলে আবেদনটি খারিজ করে দেয় হাই কোর্টের এই বেঞ্চ। এক্ষেত্রে জজ কোর্টে একই ধরনের আবেদন খারিজ হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কৌঁসুলি ব্যারিস্টার রফিক উল হক।

সেমিফাইনাল কে খেলবে, চট্টগ্রাম কিংস, না বরিশাল বার্নার্স, তা নিয়ে জটিলতার শুরু রোববার। সেদিন খেলা শেষের পর টেলিভিশনে ধারাভাষ্যকাররা বলেছিলেন, নিট রান রেটে বরিশাল বার্নার্সই সেমিফাইনালে উঠেছে।

কিন্তু পর দিন সোমবার সন্ধ্যায় বিপিএল চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ বলেন, সমান পয়েন্টধারী ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স, চট্টগ্রাম কিংস ও বরিশাল বার্নার্সের পরস্পরের মোকাবেলার (হেড টু ডেট) ফলাফলের ভিত্তিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম যাচ্ছে সেমিফাইনালে।

এরপর মধ্যরাতে এক বৈঠকের পর বিপিএল পরিচালনা পর্যদ জানায়, বরিশাল বার্নার্সই সেমিফাইনাল খেলবে, চট্টগ্রাম কিংস বাদ।

বিপিএল কর্তৃপক্ষের এই ধরনের পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পর পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, চেয়ারম্যান আশরাফ তার ব্যক্তিগত মত দিয়েছিলেন। আর এই বিষয়ে আগে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

শেষ চারের লড়াইয়ে বাদপড়ার খবর জানার পর মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে সামীর কাদের বলেন, “বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল আমাদের কোনো তথ্য (বাদ পড়ার) পর্যন্ত জানায়নি। বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়ে বিসিবি কার্যালয়ে গেলে রাত ২টা ১৯ মিনিটে (মঙ্গলবার ভোররাত) আমাদের একটি চিঠি ধরিয়ে দিয়ে জানানো হয়, সেমিফাইনালে খেলছি না আমরা।”

নিয়ম ভেঙে চট্টগ্রাম কিংসকে বাদ দেওয়া হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “বাইলজ ভেঙে আমাদের সেমিফাইনাল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ২১ এর ৮ এর দুই উপধারা ও এক উপধারা মিলিয়ে নিয়ম বানানো হয়েছে। কিন্তু এভাবে একেক উপধারা থেকে একেক অংশ নিয়ে নিয়ম বানানো যায় না।”

চট্টগ্রামের সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল বাদে অন্য তিন সেমিফাইনালিস্ট দলের কর্মকর্তা ঢাকা গ¬্যাডিয়েটর্সের ব্যবস্থাপক কাজী শফিকুল হক হীরা, দুরন্ত রাজশাহীর ব্যবস্থাপক ফারুক আহমেদ, খুলনা রয়েল বেঙ্গলসের ব্যবস্থাপক জাহিদ রাজ্জাক মাসুমও ছিলেন।

তারা বলেন, নিয়ম ভঙ্গ করে যদি চট্টগ্রাম কিংসকে বাদ দেওয়া হয়, তবে চট্টগ্রামের প্রতি তাদের সমর্থন থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিপিএলে বাজিকরদের সংশি¬ষ্টতা দিকেও ইঙ্গিত করেন চট্টগ্রাম কিংসের পৃষ্ঠপোষক। সামীর কাদের বলেন, “বিপিএল জুয়ার আসর হয়ে আছে। আমার সন্দেহ হচ্ছে সেই জুয়ার কারণেই বরিশাল বার্নার্সকে সেমিফাইনালে খেলানো হচ্ছে কি না।’

খবরঃ  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর

গভীর রাতে নাটকীয় সিদ্ধান্ত, বরিশাল সেমিতে!



ঢাকা: টেলিভিশনের স্ক্রিনে ভেসে উঠেছিলো বরিশাল সেমিফাইনালে। বিপিএল ওয়েব সাইটেও তাই প্রচার করা হয়। বিসিবি স্কোরারদের কাছ থেকেও পাওয়া যায় একই তথ্য। এরপর কোন সংশয় ছিলো না বরিশাল বার্নার্সের। চিটাগং কিংসকে ১৫ ওভারে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত জেনে মুহূর্তটি উদযাপন করে বরিশাল।

একদিন পরে সোমবার বিকেলে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কর্মকর্তারা জানান বরিশাল সেমিফাইনালে যাচ্ছে না! বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন লিপু তখন পর্যন্ত বাইলজের ধারা মনযোগ দিয়ে পড়ে দেখেননি! ফ্রেঞ্চাইজি দলগুলোও ওই বিষয়ে পরিষ্কার ছিলো না।

সোমবার সন্ধ্যায় প্রেসবক্সে সাংবাদিকদের ব্যাখ্যা দিয়ে লিপু বোঝান হেড-টু-হেডে এগিয়ে থাকায় বরিশাল নয় চিটাগং কিংস সেমিফাইনালে। আপত্তি তোলে বরিশালের কর্মকর্তারা। লিগ পর্বের খেলা শেষ হলে জরুরী বৈঠকে বসেন বিপিএল টেকনিক্যাল কমিটি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কর্মকর্তারা। টুর্নামেন্টের বাইলজের ধারা-উপধারাগুলো খতিয়ে দেখার পর শেষে সিদ্ধান্তে আসে চিটাগং নয় বরিশাল সেমিফাইনালে!

গভীর রাতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার বিপিএলের সেমিফাইনাল খেলছে দুরন্ত রাজশাহী, খুলনা রয়েল বেঙ্গলস, ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস ও বরিশাল বার্নার্স।

হেট-টু-হেড এবং রনগড়ের জটিল সমীকরণের ধোয়াশা এবং বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান লিপুর ভুলের মাশুল গুণতে হয় সংবাদ মাধ্যমকে। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের ভুলে পুরো জাতির কাছে পৌঁছে যায় বিভ্রান্তিকর তথ্য।

অতএব মঙ্গলবার প্রথম সেমিফাইনাল হবে দুপুর ২টায় রাজশাহীর বিপক্ষে বরিশাল বার্নার্সের। দ্বিতীয় সেমিফাইনাল হবে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় খুলনা ও ঢাকার মধ্যে।

খবরঃ  বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বিপিএল কর্তৃপক্ষকে আদালতে নিল চট্টগ্রাম

সেমিফাইনালিস্ট নির্ধারণ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনায় পড়া বিপিএল কর্তৃপক্ষকে এবার আদালতে দাঁড়াতে হচ্ছে।

‘নাটকীয় সিদ্ধান্তে’ সেমিফাইনাল বাদ পড়া চট্টগ্রাম কিংস বুধবার ফাইনাল শুরুর পাঁচ ঘণ্টা আগে বিপিএল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ঢাকার জজ আদালতে একটি মামলা করেছে।

এতে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠেয় ফাইনালের ওপর কোনো স্থগিতাদেশ না দিলেও বিপিএল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদকসহ সাত জনকে তলব করা হয়েছে।

জজ আদালতে পুরোপুরি সফল না হওয়ার পর হাই কোর্টে একটি রিট আবেদন করেছে চট্টগ্রাম কিংসের মালিক পক্ষ।

এতে চট্টগ্রাম কিংসকে সেমিফাইনাল থেকে বাদ দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার পাশাপাশি বুধবার ফাইনালের ওপরও নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি খুরশিদ আলম সরকারের বেঞ্চে বেলা ৩টায় এর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

রিট আবেদনটি করেন চট্টগ্রাম কিংস দলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামীর কাদের চৌধুরী। আইনজীবী ছিলেন রোকনউদ্দিন মাহমুদ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষে শুনানিতে থাকবেন ব্যারিস্টার রফিক উল হক।

এর আগে দুপুর দেড়টায় ঢাকার জজ আদালতে একটি মামলা করেন চট্টগ্রাম কিংস মালিক সামীর কাদের।

এতে অভিযোগ করা হয়, বেআইনিভাবে সেমিফাইনালে তাদের বাদ দিয়ে বরিশাল বার্নার্সকে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

মামলায় মঙ্গলবার বিপিএল সেমিফাইনালে বরিশালের খেলাটি বাতিল এবং বুধবারের ফাইনাল খেলাটি স্থগিত রাখতে আদালতের নির্দেশ চাওয়া হয়েছিল বলে মামলাকারীর আইনজীবী লিটন রায় চৌধুরী জানিয়েছেন।

বরিশাল বার্নার্স ইতোমধ্যে সেমিফাইনালে দুরন্ত রাজশাহীকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে। সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় তারা ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের।

মামলায় বিপিএল পরিচালনা পর্যদের চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন লিপুসহ সাত জনকে বিবাদি করা হয়েছে। তবে এক ও দুই নম্বর বিবাদি করা হয়েছে পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুদ্দীন মো. আলমগীর ও ম্যাচ রেফারি মাইক প্রক্টরকে। বরিশাল বার্নার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও বিবাদির তালিকায় রয়েছেন।

তবে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির বিষয়টি বিবেচনা করে সেমিফাইনাল বাতিল কিংবা ফাইনাল স্থগিতের কোনো আদেশ জজ শওকত হোসেন দেননি।

এর ফলে বুধবার সন্ধ্যার ফাইনাল খেলা চলবে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

তবে বিচারক শওকত এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে সাত বিবাদিকে আগামী ১৫ মার্চ আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন।

দুই দলের পয়েন্ট সমান হওয়ার পর সোমবার মধ্যরাতে এক বৈঠকের পর বিপিএল পরিচালনা পর্যদ জানায়, বরিশাল বার্নার্সই সেমিফাইনাল খেলবে, চট্টগ্রাম কিংস বাদ।

সেদিন সন্ধ্যায়ই বিপিএল পরিচালনা পর্যদের চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ জানিয়েছিলেন, বরিশাল নয়, চট্টগ্রাম কিংস উঠেছে সেমিফাইনালে।

তবে আগের দিন রোববার খেলা শেষের পর টেলিভিশনে ধারাভাষ্যকাররা বলেছিলেন, বরিশাল বার্নার্সই সেমিফাইনালে উঠেছে।

বরিশাল বার্নার্স ও চট্টগ্রাম কিংসের এই জটিলতা নিয়ে সমালোচনার মধ্যে পড়েছে বিপিএল কর্তৃপক্ষ তথা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

শেষ চারের লড়াইয়ে বাদপড়ার খবর জানার পর চট্টগ্রাম কিংসের মালিক পক্ষ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিল, তারা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যাবে।

চট্টগ্রাম কিংস দলটির পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান এস কিউ গ্রুপ। এর অন্যতম কর্ণধার বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম কিংসের মালিক পক্ষের সামীর কাদের বলেন, “বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল আমাদের কোনো তথ্য (বাদ পড়ার) পর্যন্ত জানায়নি। বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়ে বিসিবি কার্যালয়ে গেলে রাত ২টা ১৯ মিনিটে (মঙ্গলবার ভোররাত) আমাদের একটি চিঠি ধরিয়ে দিয়ে জানানো হয়, সেমিফাইনালে খেলছি না আমরা।”

নিয়ম ভেঙে চট্টগ্রাম কিংসকে বাদ দেওয়া হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “বাইলজ ভেঙে আমাদের সেমিফাইনাল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ২১ এর ৮ এর দুই উপধারা ও এক উপধারা মিলিয়ে নিয়ম বানানো হয়েছে। কিন্তু এভাবে একেক উপধারা থেকে একেক অংশ নিয়ে নিয়ম বানানো যায় না।”

চট্টগ্রামের সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল বাদে অন্য তিন সেমিফাইনালিস্ট দলের কর্মকর্তা ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের ব্যবস্থাপক কাজী শফিকুল হক হীরা, দুরন্ত রাজশাহীর ব্যবস্থাপক ফারুক আহমেদ, খুলনা রয়েল বেঙ্গলসের ব্যবস্থাপক জাহিদ রাজ্জাক মাসুমও ছিলেন।

তারা বলেন, নিয়ম ভঙ্গ করে যদি চট্টগ্রাম কিংসকে বাদ দেওয়া হয়, তবে চট্টগ্রামের প্রতি তাদের সমর্থন থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিপিএলে বাজিকরদের সংশ্লিষ্টতা দিকেও ইঙ্গিত করেন চট্টগ্রাম কিংসের পৃষ্ঠপোষক। সামীর কাদের বলেন, “বিপিএল জুয়ার আসর হয়ে আছে। আমার সন্দেহ হচ্ছে সেই জুয়ার কারণেই বরিশাল বার্নার্সকে সেমিফাইনালে খেলানো হচ্ছে কি না।’

খবরঃ  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

2.15.2012

এনসিএল টি-টোয়েন্টির দলগুলোকেও টাকা দিচ্ছে বিসিবি

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)’র টাকার ভাগ পাচ্ছে এনসিএল টি-টোয়েন্টি’র ক্লাবগুলোও। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ১২ দলকে যে ভাবে দেওয়া হয়েছে তাদেরকেও আলোচনা সাপেক্ষে টাকা দেবে বিসিবি।৮ ফেব্রুয়ারি বিসিবি’র জরুরী সভায় নীতিগত সিদ্ধান্তহয়, এনসিএলকেও টাকা দেবে। তবে কত টাকা করে দেওয়া হবে সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। বিসিবি পরিচালক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু সোমবার বাংলানিউজকে বলেন,‘সভাপতি দেশে ফিরিলেই এনসিএলের ছয় দলের সঙ্গে আলোচনায় বসবো। সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে তাদেরকে কত টাকা করে দেওয়া হবে।’২০১০ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় ক্রিকেট লিগ টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
 ঢাকা ডিনামাইটস, সাইক্লোনস অব চিটাগং, রাজশাহী রেঞ্জার্স, কিংস অব খুলনা, বরিশাল ব্লেজার্স এই ছয়টি দলকে বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে বিসিবি। আয়োজনটা সফলও হয়। পরের বছর ২০১১ সালে ওই প্রতিযোগিতা আর হয়নি। এনসিএল’র পরিবর্তে বিসিবি এখন আয়োজন করছে বিপিএল। খবর বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বিপিএল আত্মপ্রকাশ করায় দুই কোটি টাকা করে ক্ষতিপুরণ দাবি করেছে এনসিএলের ছয় দলের কর্পোরেট মালিকরা। বিসিবিকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়ে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার হুমকিও দিয়ে রেখেছে তারা।
যেভাবে বিপিএলের টাকায় ভাগ বসাচ্ছে বিভিন্ন ক্লাব। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো দেশের জেলা এবং বিভাগীয় ক্লাব কর্মকর্তারাও টাকার ভাগ নিতে বিসিবির বারান্দায় হাজির হবে।

2.12.2012

বিপিএল’র টাকার ভাগ চায় দোকানীরাও!

ক্লাবগুলো ভাগ পেয়ে চুপ হয়ে গেছে। পুলিশ টাকার ভাগ চেয়েছে, তারাও পাবে। জাতীয় ক্রীড়াপরিষদের (এনএসসি) কর্মকর্তা কর্মচারিদেরকে এখনও ভাগ দেওয়া হয়নি। তাদের মধ্যে অর্ন্তজ্বালা বেশি। সুযোগ পেয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)’র কাজে এনএসসির কর্মকর্তারা তাই বাঁহাত ঢুকিয়েছে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)’র আয়ের টাকার ভাগ স্টেডিয়ামের দোকানমালিকদেরকেও দিতে বলেছে এনএসসি। তাও মৌখিক নয় লিখিত ভাবে জানিয়েছে। বিপিএলের খেলা চলাকালে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দোকান বন্ধ রাখার ফলে যে আর্থিক ক্ষতি হবে তা বিসিবির কোষাগার থেকে পুষিয়ে দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছে এনএসসি।

খেলার নিরাপত্তার স্বার্থে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের দোকান বন্ধ রাখা হবে বলে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। সেখানে কোন আর্থিক ক্ষতির বিষয় আলোচনায় আসেনি। সমন্বিত নিরাপত্তা বাহিনীও নিরাপত্তার খাতিরে দোকানগুলো বন্ধরাখার জন্য বিসিবিকে চিঠি দেয়। সে অনুযায়ী বিসিবি গত ৪ ফেব্রুয়ারি এনএসসির কাছে দোকান বন্ধের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। কিন্তু সরকারি অফিসে আবেদনপত্র ঢোকার পর ফাইলের নিচে চাপা পড়ে। অনেক তোড়জোরের পর শেষে এনএসসি থেকে একটি চিঠি ইস্যু হয় ৯ ফেব্রুয়ারি, যেদিন বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান।

কিন্তু বিসিবি চিঠি হাতে না পাওয়ায় পরের দিন জোর করে দোকানীরা তাদের ফার্নিচারের পসরা সাজিয়ে বসে। স্টেডিয়ামের দক্ষিণ পাশের গেট ভেঙ্গে মালামালও আনানেওয়া করতে থাকে। শেষে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসে পরিস্থিতি সামাল দেয় বলে জানান শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ভেন্যু প্রশাসক কর্নেল (অব:) আবুল কামাল মো. জাকি, ‘এনএসসির কাছ থেকে আমাদেরকে চিঠি দিতে দেরি করায় বড় সমস্যায় পড়তে হয়। দোকানমালিকদের দাবি এনএসসির চিঠি না পেলে তারা ব্যবসা চালিয়ে যাবে। শেষে শুক্রবার সকাল ১০টায় ক্রীড়াপল্লীর প্রশাসক সাইফুর রহমানের কাছ থেকে চিঠি আনিয়ে দোকান মালিকদের দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ভাগ্যিস পুলিশ সময় মতো উপস্থিত হয়েছিলো।’

দোকান মালিকদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলে চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর বক্তব্য,‘এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে যেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে দোকান বন্ধরাখার। কোন আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি সেখানে এনএসসি ক্ষতিপূরণ দিতে বলছে। আজ বিপিএল হচ্ছে বলে টাকা দিতে বলছে। এরপর যে কোন খেলার জন্য দোকান বন্ধরাখতে হলে তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। স্টেডিয়ামে দোকান থাকায় এমনিতেই আইসিসির আপত্তি আছে। তারওপর এসএসসির এমন সিদ্ধান্ত বিস্ময়কর! কোথায় স্টেডিয়াম থেকে দোকান সরিয়ে নেবে, তা না দোকানদারদের হয়ে কাজ করছে এনএসসি।’

এনএসসির চিঠিতে উল্লেখ আছে: ‘গত ৩০/০১,২০১২ইং তারিখ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আলোচনা হয় যে খেলা চলাকালীন দিনসমূহতে দোকান বন্ধ রাখার ফলে দোকান মালিকদের যে আর্থিক ক্ষতি হবে তা বিসিবি ও দোকান মালিক সমিতি যৌথভাবে বসে আলোচনা করে ক্ষতি নির্ধারণ পূর্বক বিসিবি আর্থিক ক্ষতি পূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

কোন কারণে বিসিবি এখন দোকানমালিকদেরকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ না দিলে এনএসসির প্রজ্ঞাপন নিয়ে আদালত পর্যন্ত যেতে পারবে তারা।

এদিকে এনএসসি পরিচালক (প্রশাসন) শেখ আতাহার হোসেনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

খবরঃ বাংলা নিউজ ২৪

বিপিএল কর্তৃপক্ষকে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আলটিমেটাম

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অপসংস্কৃতি প্রদর্শনের ঘটনায় বিপিএল কর্তৃপক্ষকে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। ১৮ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে ক্ষমা না চাইলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দেয়ার কথাও বলেছে জোটটি। গতকাল বিকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ। প্রতিবাদ সমাবেশের সভাপতি হিসেবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রগতি হোক তা আমরাও চাই। কিন্তু ক্রিকেটের নাম ভাঙিয়ে ফায়দা লোটা হচ্ছে আজ। বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যে অপসংস্কৃতি প্রদর্শন করা হয়েছে, তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। অনুষ্ঠানে একুশ ও বাংলা ভাষাকেও অপমান করা হয়েছে। কাজেই বিপিএল কর্তৃপক্ষকে ক্ষমা চাইতেই হবে। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।’ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ বলেন, দেশের মূল্যবোধ আজ ভূলুণ্ঠিত। একটি চ্যানেল উদ্বোধনীতেই যেভাবে অপসংস্কৃতি প্রদর্শন করলো, তারপর এটাই বলতে হবে যাকে-তাকে চ্যানেল দেয়া ঠিক নয়। বাংলাদেশে গণশিল্পী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ফকির আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক ও রুটির সংগ্রামের চেয়ে রুচির সংগ্রাম কোন অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই এ ধরনের অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

খবরঃ মানবজমিন

অপসংস্কৃতি প্রদর্শন,বিপিএল কর্তৃপক্ষকে ক্ষমা চাইতে হবে

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অপসংস্কৃতি প্রদর্শনের ঘটনায় বিপিএল কর্তৃপক্ষকে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ক্ষমা না চাইলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়ার কথাও বলেছে জোটটি।
আজ শনিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি গোলাম কুদ্দুছ। প্রতিবাদ সমাবেশের সভাপতি হিসেবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রগতি হোক তা আমরাও চাই। কিন্তু ক্রিকেটের নাম ভাঙিয়ে ফায়দা লোটা হচ্ছে আজ। বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যে অপসংস্কৃতি প্রদর্শন করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অনুষ্ঠানে একুশ ও বাংলা ভাষাকেও অপমান করা হয়েছে। কাজেই বিপিএল কর্তৃপক্ষকে ক্ষমা চাইতেই হবে। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ বলেন, দেশের মূল্যবোধ আজ ভূলুণ্ঠিত। একটি চ্যানেল উদ্বোধনীতেই যেভাবে অপসংস্কৃতি প্রদর্শন করল, তারপর এটাই বলতে হবে যাকে-তাকে চ্যানেল দেওয়া ঠিক নয়।
উদীচীর সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল আলম বলেন, বাঙালি সংস্কৃতি সুন্দর ও শালীন। বিপিএল তাতে আঘাত হেনেছে। যারা এই আঘাত করেছে, তাদের গ্রেপ্তার করে বিচার করতে হবে।
আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহকামউল্লাহ বলেন, ‘উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা হয়েছে, তাতে লজ্জায় আমাদের মাথা হেঁট হয়ে গেছে। কেবল প্রতিবাদই নয়, এ ধরনের অপসংস্কৃতি আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে।’
বাংলাদেশ পথনাটক পরিষদের সভাপতি নাট্যকার মান্নান হীরা বলেন, যে অপসংস্কৃতি প্রদর্শন করা হয়েছে, সেটি ফড়িয়া ও ফাটকাবাজদের সংস্কৃতি। মুনাফার জন্য তারা এটি করেছে। এ দেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার যেমন জরুরি, তেমনি সংস্কৃতি হত্যাকারীদেরও বিচার করতে হবে।
বাংলাদেশে গণশিল্পী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ফকির আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক ও রুটির সংগ্রামের চেয়ে রুচির সংগ্রাম কোনো অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই এ ধরনের অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

খবরঃ প্রথম আলো

2.11.2012

জমল না বিপিএল উদ্বোধন

ব্যবধান মাত্র এক বছর। এরমধ্যেই দুই রকম চিত্র দেখল বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমী। ২০১১'র ১৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মুগ্ধ জাগানো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল পুরো বিশ্বকে। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছিল বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে। দর্শকের ঢল নেমেছিল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও স্টেডিয়ামের বাইরে। দর্শকদের ক্রেজ দেখে অবাক হয়েছিল পুরো বিশ্ব। অথচ গতকাল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সাড়ে তিন ঘণ্টা স্থায়ী উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কোনো আবেদনই ছড়াতে পারেনি ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে। দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে বিপিএলের প্রথম আসরে উদ্বোধন হয়েছে। উদ্বোধন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান। অনুষ্ঠান শুরুর কথা ছিল সাড়ে ৬টায়। শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের আধঘণ্টা পর। উপস্থাপিকা ফারজানা নওশিন ও মুনমুনের উপস্থাপনায় শুরু হয় বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। অর্থের ঝনঝনানির অনুষ্ঠান শুরু হয় জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর দরাজ গলায় অমর একুশের গান 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো, একুশে ফেব্রুয়ারি গান দিয়ে।' বাচ্চুর সঙ্গে অমর একুশের গান পরিবেশন করেন আরও ২৫ শিশু শিল্পী। গান শেষ হওয়ার পরপরই বাপ্পি লাহিড়ি ও শান পরিবেশন করেন বিপিএলের থিম সংগীত। এরপর থিম সংগীতের তালে তালে আদ্যাক্ষর অনুযায়ী মাঠে প্রবেশ করে বরিশাল বারনার্স, ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স, চিটাগাং কিংস, খুলনা রয়্যাল বেঙ্গলস, দুরন্ত রাজশাহী ও সিলেট রয়্যালস। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো সবাই মাঠে প্রবেশ করে তাদের দলীয় সংগীতের তালে তালে। সবাই উপস্থিত হন মাঠের ভিআইপি গ্যালারি সংলগ্ন স্টেজের সামনে। যেখানে বসেছিলেন রাষ্ট্রপতি। সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রপতি জিল্লুুর রহমান বিপিএলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপতির উদ্বোধন অনুষ্ঠান ঘোষণার পরপরই দুই জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী শিবলি মোহাম্মদ ও শামীম আরা নিপা রবীন্দ্র সংগীত 'আগুনের পরশমণি শোনাও প্রাণে...' গানের সুরে নৃত্য পরিবেশন করে সবাইকে আমন্ত্রণ সুরের জগতে। দুজনের নাচের পর একে একে গান গেয়েছেন রক শিল্পী মিলা, মাইলস। মাইলস গান করে-'ধিকি ধিকি আগুন জ্বলেসহ দুটি। মাইলসের পরপরই স্টেজ পারফরম করেন কলকাতার শিল্পী ঋতুপর্ণা সেন গুপ্তা। ঋতুপর্ণার পর দেশের দুই জনপ্রিয় শিল্পী সাকিব গান ও অপু বিশ্বাস নেচেছেন গানের তালে। দিবার পরে মঞ্চ মাতান মালাইকা অরোরা। মালাইকা অরোরা নেচেছেন মিনিট ১৫। মালাইকার নাচের আগে গান করেন এলআরবির শিল্পী আইয়ুুব বাচ্চু, বাপ্পি লাহিড়ি এবং শান। গানের পর্ব শেষ হওয়ার পর সবশেষে নেচেছেন বলিউডের 'হট সেনসেশন' বিপাশা বসু। বিপাশার নাচের পরই আতশ বাজি ঝলকানিতে রাতের মিরপুরকে আলোকিত করেছে।

খবরঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

বিনোদন খোরাকের চেয়ে বিরক্তির কারণ হয়ে যাচ্ছে বিপিএল

যাত্রা করেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের আদলে বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো এই আয়োজন দর্শকদের জন্য আনন্দের খোরাক না হয়ে বিরক্তির কারণ হয়ে যাচ্ছে। আয়োজকদের এত বড় আয়োজনের কোন পাত্তা দিচ্ছে না স্টেডিয়ামের প্রাণ ভোমরা দর্শকরা।

দিবেই বা কি করে দর্শকদেরও যে বুঝতে চায়নি আয়োজকরা। টাকা টাকা করে দর্শকের চাহিদার সাথে সমন্বয় করতে হিসেবটা বুঝি একটু জটিলই হলো। দর্শক শূন্যতা রেশটা শুরু হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সর্বনিম্ন টিকিটের দাম এক হাজার টাকা। তাতেই অনুষ্ঠান দেখার আগ্রহ হারায় দর্শকরা।

স্টেডিয়ামের ২৫হাজার আসনে বসেছেন কয়েক হাজার দর্শক দেখে মনে হয়েছে বিশাল আকাশে কয়েকটি তারা মাত্র। যারা এসেছিল বেশির ভাগই ছিল সৌজন্য টিকিটের দর্শক। টিকিট কিনে আস দর্শক নেই বললেও ভুল হবে না!

টিকিটের দামের সাথে সংগতি না হওয়াতে বিপিএল থেকে দর্শকরা যেন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। দেশি-বিদেশি তারাকাদের মেলা বসলেও তা নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই ক্রীড়াপ্রমীদের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রাষ্ট্রপতি চলে গেলে ফ্রি করে দিলেও হুমরি খেয়ে স্টেডিয়ামে ঢুকে নি দর্শকরা। সেই রেশ এখনো চললে! শুক্রবার বিপিএল উদ্বোধনী খেলাই তার প্রমাণ।

খেলা দেখার জন্য যেখানে দর্শকরা লাইনে দাঁড়িয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করে সেখানে কিনা আয়েশ করে খেলা দেখল কতিপয় দর্শক। হবেই না কেন এখানেও টিকিটের দাম একটু যেন বেশিই হয়ে গেছে। প্রতি টিকিটের সর্বনিম্ন দাম ৫০০টাকা।

যদিও এক টিকিটে দুটি খেলা। কথা ছিল দর্শকরা দেখতে পাবে চিয়্যারস গার্লদের রং ঢং। কিন্তু না যারা শুক্রবার স্টেডিয়ামে এসেছে তারা সেরকম কিছুই দেখেনি। ফলে এ নিয়েও রয়েছে হতাশা। কথা দিয়ে কোনটাই রাখছে না আয়োজকরা। পুর্ব পাশ্বেও গ্যালারিতে কিছু দর্শক ছাড়া চোখে পরেনি ক্রিকেটভক্তদের। আনন্দের জন্য খেলাটি হলেও বিষয়টি যেন বিরক্তি দিচ্ছে দর্শকদের।

এক দিকে সাধ্যের বাইরে টিকিটের দাম অন্যদিকে যা প্রত্যাশিত তা পাচ্ছে না মাঠে এসে।

কলবাগান থেকে আগত এক দর্শক জানান, ‘খেলাটি বোরিং লাগছে ভাই, শুনেছিলাম মাঠে নাচ হবে কিন্তু কই। এত টাকার টিকিট কিনলাম। কেন এই মিথ্যে কথা বুঝলাম না কিছু।’

শুরুতেই যেখানে ফাঁকা গ্যালারি বাকি ঊনিশটি দিন তার রেখা শেয়ার বাজারের মতো কতটা উঠা নাম সেটা এখন অপেক্ষার বিষয় মাত্র।

খবরঃ সংবাদ ২৪

বিপিএল স্পট ফিক্সিং: অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন

খবরটোয়েন্টিফোর.কম: বাংলাদেশে প্রিমিয়ার লীগে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তদন্ত করতে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি। বিসিবির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নেতৃত্বে এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বিপিএল গর্ভনিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন লিপু, সম্পাদক সিরাজউদ্দিন মোঃ আলমগীর এবং বিসিবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী। এর আগে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটসের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা অভিযোগ করেন তাকে সাবেক এক ক্রিকেটার স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেন।

খবরঃ খবর ২৪

বিপিএল খেলতে স্যামির অনাগ্রহ

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) প্রথম আসরে খেলার ব্যাপারে নিজের অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে ৫৫ হাজার ডলারে সিলেট রয়্যালস স্যামিকে নিলামে কিনে নিয়েছিল।
এ প্রসঙ্গে স্যামি জানিয়েছেন, আগামী মাস থেকে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের সাথে যুক্ত হতে পেরে তিনি আয়োজকদের কাছে কৃতজ্ঞ কিন্তু নিজ দেশের ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক টুর্ণামেন্টকেই তিনি সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিতে চান।
স্যামি বলেন, ‘একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে অন্য দেশে খেলার প্রস্তাব পেয়ে সত্যিই আমি কৃতজ্ঞ ও গর্বিত। বিষয়টি নিয়ে আমি আমার পরিবারের সাথে আলোচনা করেছি। এ ব্যাপারে আমি অনেক চিন্তাও করেছি। কিন্তু সবকিছু বিবেচনা করে আমি বিপিএল কর্তৃপক্ষ এবং সিলেট রয়্যালসকে এই মুহূর্তে প্রস্তাবটি গ্রহণ করতে না পারার বিষয়টি ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছি। ক্রিকেট পাগল বাংলাদেশী সমর্থকদের সামনে খেলতে পারাটা আমি খুব উপভোগ করি। কিন্তু বিপিএল এর সূচী চলাকালীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের রিজিওনাল ৪ দিনের টুর্নামেন্ট থাকায় আমার পক্ষে খেলা সম্ভব নয়।’
এছাড়া মার্চ মাসের মাঝামাঝিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আসবে অস্ট্রেলিয়া। এটা আমাদের জন্য অবশ্যই বেশ কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং সিরিজ। আর তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়া সফরবে সামনে রেখে আমার জন্য ৪ দিনের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করাটাই ভাল হবে। এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের জন্য প্রস্তুতিটাও যথার্থ এবং পরিপূর্ণ হবে।’

খবরঃ বাংলাটাইমস ২৪

2.09.2012

বিপিএলে বিদেশীদের ২৫ ও দেশীয় খেলোয়াড়দের ১০ ভাগ হারে কর দিতে হবে

বিপিএলে খেলোয়াড়দের যে পরিমাণ অর্থ প্রদানের চুক্তি করা হয়েছে অই অর্থ থেকে বিদেশীদের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ এবং দেশীয় খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে কর আদায় করা হবে। মনিটরিং কমিটির সদস্য এবং বিসিএস একাডেমীর মহাপরিচালক মেকতাফ উদ্দিন খান সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পর্দা উঠছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে ব্যয় বহুল এবং জমজমাট টি২০ ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ। ইতোমধ্যে এই টুর্ণামেন্টে আর্থিক লেনদেন এবং এর থেকে সরকারী রাজস্ব আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বৃহস্পতিবার বিপিএল সংক্রান্ত কর কর্তন মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির আহ্বায়ক কর পরিদর্শন দপ্তরের মহাপরিচালক কানন কুমার রায়।

তিনি বলেন, রাজস্ব বোর্ডের নীতিমালার অনুসরনের মাধ্যমে বিপিএল’র যে সব খাত করের আওতায় রয়েছে সেসব খাত গুলো থেকে আয়কর কর্তন নিশ্চিত কারার লক্ষ্যে তারা কার্যক্রম শুরু করেছে।

কানন বলেন, খেলোয়াড় নিলাম, টিকেট বিক্রি এবং বিভিন্ন স্পন্সর চুক্তির মাধ্যমে যে সব আর্র্থিক লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে বা ঘটবে সে সব চুক্তির কাগজ পত্র ইতোমধ্যে সংগ্রহ করতে শুরু করেছে রাজস্ব বোর্ড। সবগুলো নথিপত্র সংগ্রহের পর যে সব খাত থেকে সরকারী রাজস্ব আদায়ের নিয়ম রয়েছে সে সব খাত থেকে সুনির্দিষ্ট নিয়মেই কর কর্তন করা হবে।

উদাহারণ হিসেবে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বিপিএলের জন্য খেলোয়াড় নিলাম, স্পন্সর চুক্তি এবং টিকেট বিক্রির চুক্তি সম্পন্ন সম্পন্ন হয়েছে। এসব খাতে যে সব অর্থ আদান প্রদানের কথা হয়েছে সে সব অর্থ থেকেই সুনির্দ্দিষ্ট হারে রাজস্ব কর্তন করা হবে।

এদিকে বিপিএল সংক্রান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব সিরাজুদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর এ বিষয়ে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন যে, বাংলাদেশের ইতিহাসে ক্রিড়াঙ্গনে এরকম বড় অংকের আর্থিক লেনদেন ঘটেছে।

সর্বশেষ বিশ্বসেরা ফুটবল তারকা মেসিকে বাংলাদেশে আনার সময়ও প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে এনবিআর কি পরিমাণ কর কর্তন করেছে তা আমার জানা নেই। সরকার যদি সব ক্ষেত্রে কর কর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাহলে আমিও স্বাগত জানাই।

তবে শুধুমাত্র বিপিএলের জন্যই যদি এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তাহলে তা হবে দু:খজনক।

খবরঃ সংবাদ ২৪

বিপিএলের বাতাসে স্পট ফিক্সিংয়ের বিষ!

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোয় এখনো আলোকিত হয়নি বিপিএল। এর আগেই এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের বাতাসে ঢুকে পড়েছে স্পট ফিক্সিংয়ের বিষ। খেলোয়াড়দের কানে পড়ে দেওয়া হচ্ছে স্পট ফিক্সিংয়ের মন্ত্র।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বিপিএল সামনে রেখে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এক ক্রিকেটার। পরশু দলের অনুশীলন শেষে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের ড্রেসিংরুমে এই প্রস্তাব পান মাশরাফি। সাবেক ওই ক্রিকেটার মাশরাফিকে বলেন, বিপিএলে বন্ধুরা মিলে বাজি ধরাধরি করবেন। সেখানে অনেক বড় বড় ব্যবসায়ীও আছেন। মাশরাফি চাইলে এর অংশ হতে পারেন। শুধু আগে থেকে বলে দিতে হবে, কোন ম্যাচে মাশরাফি কোন সানগ্লাস পরে খেলবেন, কখন ক্যাপ পরবেন ইত্যাদি। বিনিময়ে তাঁকে দেওয়া হবে বাজির টাকার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। মাশরাফি তাতে রাজি তো হনইনি, উল্টো কিছু অপমানজনক কথাই শুনিয়ে দিয়েছেন তাঁকে। সাবেক ওই ক্রিকেটার তখন ভুল দরজায় কড়া নেড়েছেন বুঝতে পেরে মাশরাফির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ঘটনাটি কাউকে বলতে নিষেধ করেন। কাল এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাশরাফি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সূত্র নিশ্চিত করেছে, পরশু অনুশীলন শেষে জাতীয় দলের সাবেক তিন-চারজন খেলোয়াড়কে ঢাকার ড্রেসিংরুমে দেখা গেছে। তাঁদের মধ্যে মাশরাফিকে প্রস্তাব দেওয়া সাবেক ক্রিকেটারটি আলাদা করে কথা বলেছেন ঢাকার দুই বাঁহাতি স্পিনারের সঙ্গেও।
সংবাদমাধ্যমে কথা না বললেও সূত্র জানিয়েছে, স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকা গ্ল্যাডিয়টর্সের ম্যানেজমেন্টকে জানিয়েছেন মাশরাফি। মাশরাফির ভয়, দলের অন্য খেলোয়াড়েরা না আবার এই ফাঁদে পা দেন! দু-এক ম্যাচ পর যদি মনে হয় দলের খেলোয়াড়েরা ফিক্সিংয়ে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ছেন, তাহলে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেবেন বলেও জানিয়ে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষকে। এরপর মালিকপক্ষের সঙ্গে ঢাকার টিম ম্যানেজমেন্ট এ নিয়ে আলোচনাও করেন। যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি দলের উপদেষ্টা হাবিবুল বাশার। ফ্র্যাঞ্চাইজির পরিচালক শিহাব হোসেন চৌধুরী ফোন ধরেননি। আর ম্যানেজার শফিকুল হক বলেছেন, ‘আমি এ ব্যাপারে কিছু শুনিনি।’ তবে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে পারে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স।
তাতে কী? বিপিএল নিয়ে যে আশঙ্কাটা ছিল, সেটা তো পাখা মেলে দিয়েছে এর মধ্যেই! গুঞ্জন আছে, বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির অনেক ক্রিকেটারের কাছেই পৌঁছে গেছে স্পট ফিক্সিংয়ের হরেক রকম ‘অফার’। সেই ‘অফার’ যাচ্ছে কখনো সাবেক ক্রিকেটার, কখনো বা ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট অন্য কারও মাধ্যমে। মাশরাফির মতো সবাই-ই কি আর ‘না’ বলছেন তাঁদের!

2.08.2012

বিপিএল খেলার নিয়মাবলি তৈরি হয়নি!

দুই দিন পরেই মাঠে গড়াচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) খেলা। অথচ খেলার নিয়মাবলি এখনও তৈরি হয়নি।

যদিও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীরের দাবি খেলার নিয়মাবলি তৈরি হয়ে আছে,‘ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার সাব্বির খানের ওপর দায়িত্ব দেওয়া আছে। সে সব তৈরিও করেছে। ম্যাচরেফারিদের কাছে কালই (বুধবার) তা দেওয়া হবে।’

আসল খবর হলো খেলার নিয়মাবলি (প্লেয়িং কন্ডিশন) তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক রকিবুল হাসানের ওপর। মঙ্গলবার পর্যন্ত তিনি কোনকিছু করেননি। সাব্বির খানও বিপিএলের নিয়মাবলি নিয়ে কাজ করেননি। তাহলে ওই কাজটি করবে কে সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

এদিকে ফ্রেঞ্চাইজি দলগুলোর জার্সিও চূড়ান্ত করা হয়নি। যে যার মতো করে খেলার পোশাক তৈরি করে নিচ্ছে। শেষপর্যন্ত না হযবরল লেগে যায়।

খবরঃ বাংলানিউজ ২৪ 

2.07.2012

বিপিএল নিয়ে অনিশ্চয়তা: ক্লাবগুলোর ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আল্টিমেটাম

ঘরোয়া ক্রিকেট লিগ বন্ধ হওয়া এবং আবার চালু হওয়া নিয়ে অনেক ঝামেলা সৃষ্টি হয়েছিল। এর মধ্যেই ক্লাবগুলো জানিয়ে দিয়েছিল, লিগ শুরু না করলে বিপিএলে ক্লাবগুলো ক্রিকেটার ছাড়বে না। সমস্যার সমাধান হতে না হতেই আবারো বিপিএল নিয়ে নতুন করে জট সৃষ্টি হয়েছে।

এবার সত্যি সত্যিই বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল সমস্যায় পড়েছে। কারণ, ঘরোয়া ক্রিকেটের ১২ দলের মধ্যে তলানিতে থাকা সূর্যতরুণ ছাড়া বাকি দলগুলো একই প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে বিপিএল কর্তৃপক্ষকে আল্টিমেটাম দিয়েছে। ক্লাবগুলোর সঙ্গে এক মৌসুমের চুক্তির টাকার ২৫ শতাংশ যদি বিপিএল না দেয় তাহলে ক্লাবগুলো ক্রিকেটার ছাড়বে না।

১১টি ক্লাবের পক্ষ থেকে যৌথ স্বাক্ষরকৃত পত্রে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে সোমবার বিকেলে এই আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে। এ তথ্য দিয়েছেন ভিক্টোরিয়ার ক্রিকেট কমিটির প্রধান লুৎফর রহমান বাদল।

তিনি বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘আমরা এক সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা আমাদের বক্তব্যের পক্ষে সকলে এক সঙ্গে স্বাক্ষরকৃত পত্র বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।

আমরা পত্রে উল্লেখ করেছি ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যদি বিপিএল আমাদের দাবি মেনে নেয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা না করে তাহলে ঐদিনই আমরা আবারো নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসব। এবং আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করব।’

অন্যদিকে, বিপিএলের কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বিফল হতে হয়েছে। কোনো কর্মকর্তাই ফোন রিসিভ করেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিপিএলের প্রধান কার্যালয়ে ক্লাবগুলোর আল্টিমেটামের চিঠি পৌঁছানোর পর থেকেই কর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং রাত পর্যন্ত চলে বিপিএলের সঙ্গে বিপিএলের স্বত্বাধিকার কিনে নেয়া গেম অনের পরিচালক অঞ্জন গাঙ্গুলীর রুদ্ধদ্বার বৈঠক। তবে বিপিএলের কোন সিদ্ধান্ত এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

খবরঃ বার্তা২৪ ডটনেট

1.27.2012

ক্রিকেট ভক্তদের জন্য খবরটা সুখকর নয়

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাওয়া মেগা ক্রিকেট আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) ম্যাচ দেখতে ক্রিকেট ভক্তদের জন্য খবরটা সুখকর নয়। কারণ বিপিএল-এর সর্বনিম্ন টিকেটের মূল্যই ধার্য করা হয়েছে ৫শ টাকা। এ যেন বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সোনার হরিণই হতে চলেছে। এমন অগ্নিমূল্য হওয়ার পেছনে অবশ্য টিকেট স্বত্ব ক্রয় করা প্রতিষ্ঠান শিহাব ট্রেডিংয়ের দাবি ১ টিকেটে দুই ছবির মতো দিনে দুটি খেলা তো বটেই সেই সঙ্গে আরও যেসব চমকপ্রদ ও জাঁকাল আয়োজন প্রতিদিন থাকছে সেসব উপভোগ করে দর্শকরা তা উসুল করে নিতে পারবেন। তবে বিনোদনের বাকি আয়োজন যেমন প্রতিদিন বলিউড-ঢালিউডের কোন সেলিব্রিটিকে আনা। যদিও সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি তাঁরা। শিহাব ট্রেডিংয়ের চেয়ারম্যান সেলিম চৌধুরী অবশ্য দাবি করছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, রানী মুখার্জী, প্রীতি জিনতাসহ অনেক তারকারা মাঠে উপস্থিত থেকে বিনোদন দেবেন। কিন্তু বিপিএল শুরু হতে আর মাত্র ১৪ দিন বাকি। ইতোমধ্যে যদি তাঁরা সুনিশ্চিতভাবে ওইসব সেলিব্রিটির উপস্থিতি নিশ্চিতই না করতে পারেন তবে কেন বিপিএল-এর প্রথম আসরের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের সামনে ‘মুলো ঝুলিয়ে’ টিকেটের এমন চড়া মূল্য ধার্য করা হলো? ওই সম্পর্কেও সেলিম চৌধুরীর যুক্তি প্রতিদিন দর্শকদের জন্য ডিজে পার্টি এবং র‌্যাফেল ড্র থাকবে। কিন্তু নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি র‌্যাফেল ড্র-তে দর্শকদের জন্য কি থাকছে? তবে সর্বোচ্চ পুরস্কার হিসেবে হংকং যাওয়া-আসার বিমান টিকেট থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন তিনি। গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে এসব কথা বলেন সেলিম চৌধুরী। ব্যাঙ্কে টিকেট বিক্রি শুরু হবে আগামী ৩০ জানুয়ারি, তবে অনলাইনে পাওয়া যাবে আজ থেকেই। ছয় বিভাগীয় শহর ছাড়াও দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর ঢাকা ব্যাংকের সর্বমোট ২০টি শাখায় টিকেট পাওয়া যাবে। এছাড়াও মোট টিকেটের ২০ শতাংশ অনলাইনে (ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ ডট ইজি ডট কম ডট বিডি) অর্ডার করে কিনতে পারবেন আগ্রহীরা। তবে একজনকে সর্বোচ্চ ৫টির বেশি টিকেট দেয়া হবে না। বিপিএল-এর ¯^ত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান গেম অন স্পোর্টসের কাছ থেকে ৪৫ কোটি টাকায় প্রথম আসরের টিকেট ¯^ত্ব কিনে নিয়েছে শিহাব ট্রেডিং। সেই উপলক্ষেই আয়োজিত সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি। এ সময় শিহাব ট্রেডিংয়ের পরিচালক আকবর হোসেন এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) টিকেট এ্যান্ড সিটিং কমিটির চেয়ারম্যান জিএস হাসান তামিম উপস্থিত ছিলেন।
‘গেম অন স্পোর্টস’ ৩৫০ কোটি টাকা দিয়ে ছয় আসরের জন্য বিসিবির কাছ থেকে ¯^ত্ব কিনে নিয়েছে বিপিএল-এর। এরপর টাকা তুলে নেয়ার সার্বিক চেষ্টাই থাকবে তাদের। প্রথম আসরের টিকেট বিক্রি ও বণ্টনের জন্য ¯^ত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান হতে এগিয়ে এসেছিল ৪ কোম্পানি। এর মধ্যে শিহাব ট্রেডিং সর্বোচ্চ টাকায় কিনে নেয় ¯^ত্ব। এখন তারাও চাইবে বিনিয়োগ করা অর্থ থেকে লাভ বের করে আনার। ওই কারণেই টিকেটের অগ্নিমূল্য ধার্য্য করা হয়েছে। সাধারণ গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতে দর্শকদের টিকেট ৫০০ টাকা, ১২০০০ টাকার টিকেট মিলবে কর্পোরেট বক্সের, হসপিটালিটি ও প্রেসিডেন্ট বক্সের টিকেট ৮০০০ টাকা, ভিআইপি গ্যালারি ৫০০০ ও আন্তর্জাতিক গ্যালারির ৬০০০ টাকা, ৩৫০০ টাকায় গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড এবং উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারির টিকেট মিলবে ১০০০ টাকায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বশেষ দুটি আন্তর্জাতিক সিরিজেও এরচেয়ে কম মূল্য ছিল টিকেটের। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) আদলে বিপিএল করতে গিয়ে ভারতভিত্তিক কোম্পানি গেম অন স্পোর্টসকে তাদের বিনিয়োগকৃত টাকাটা এক আসরেই তুলে দেয়া হচ্ছে ধাপে ধাপে। কিন্তু দেশী কোম্পানিগুলো কতটুকু তাদের বিনিয়োগকৃত টাকা তুলতে পারবে সেটাই এখন দেখার বিষয়? বিপিএলের ৩৩ ম্যাচ থেকেই ৪৫ কোটি টাকা তুলতে হবে শিহাব ট্রেডিংকে। আর এজন্য তারা চড়ামূল্য নির্ধারণ করলেও তা দর্শকদের জন্য কমতি হবে না বলে বাড়তি যেসব আয়োজনের কথা বলছে সেখান থেকেও বেরিয়ে যাবে মোটা অঙ্কের টাকা। প্রতিদিন দুটি করে খেলা থাকবে তাই এক টিকেটে দুটি খেলাই উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা। তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের টিকেট মূল্য ধার্য করবে বিপিএল কর্তৃপক্ষ। তা কত না জানা গেলেও সেলিম চৌধুরী আভাস দিয়েছেন তার মূল্য আকাশ ছোঁয়াই হবে।

খবরঃ  StateNewsBD

বিপিএল: টিকেট এর উচ্চমূল্য, ভারতীয় নায়িকার খরচ গুনতে হবে সাধারণ দর্শকদের?

ভারতের আইপিএল এর আদলে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়াম লিগ বা বিপিএল এর উত্তর ও সাধারণ গ্যালারির টিকেট ৫০০, ক্লাব হাউজ সাড়ে তিন হাজার, আন্তর্জাতিক গ্যালারি ৫ হাজার এবং বিসিবি কর্পোরেট হাউজের প্রতিটি সিটের মূল্য ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

৪৫ কোটি টাকায় টিকেট বিক্রির স্বত্ব কিনে নেয়া শিহাব ট্রেডিং এর সভাপতি সেলিম চৌধুরী টিকেটের এ মূল্যের কথা জানান।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের মাঠের গ্যালারি কানায় কানায় পূণর্ থাকলেও, ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই তা থাকে ফাঁকা। যা কিছুই থাকে, তাও পূর্ণ থাকে ক্রিকেট প্রেমী ছাত্রছাত্রী আর সাধারণ দর্শকে।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের দর্শকদের একটা বড় অংশ স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী।

অনেকেই বলছেন, টিকেটের এই উচ্চহার সাধারণ দর্শক বিশেষ করে ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য একটু বেশিই হলো! অবশ্য টিকেট বেনিয়ারা বলছেন, ৫০০ টাকায় দুটি খেলা দেখা যাবে। উপরি হিসেবে থাকভে ভারতীয় নায়িকাদের নাচ-গান। প্রীতি জিনতা, রাণী মুখার্জীদের নামও বলা হয়েছে সাংবাদিক সম্মেলনে।
ছাত্রদের পকেট কেটে এই টাকা তাহলে কি ভারতীয় নায়িকাদের ভ্যানিটি ব্যাগে যাবে? বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কি চায়? ক্রিকেট এর উন্নয়ন? নাকি অন্য কিছু?

লিখেছেনঃ সামুর ব্লগার আবু সুফিয়ান 

1.20.2012

বিপিএল নিয়ে একটি ভাবনা (একটি বিতর্ক)

আই.পি.এল-এর আদলে গড়া বি.পি.এল-এ যে টাকার মচ্ছব হচ্ছে তা দিয়ে কি অন্য কিছু করা যেতো না? শুধু চট্টগ্রাম কিংস ক্রিকেট দল গড়তে খরচ হয়েছে আইকন খেলোয়াড় বাদে মাত্র ১১লক্ষ ৪০ হাজার ডলার। যা বাংলা টাকায় মোট ৯,৫৯,০২,৫০০ টাকা। ১ ডলার = ৮৪.১২৫০ টাকা হিসেবে। তাহলে ৬টি দলে মোট ৬০ কোটি টাকার মতো খরচ হবে শুধু খেলোয়াড়ের পিছনে। আবার দল গড়তে ও অন্যান্য খরচের পরিমান হিসেব করতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছি। যেখানে দেশের প্রায় মানুষ না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। লক্ষ লক্ষ শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারী পুঁজি হারিয়ে যখন নিঃস্ব হয়ে গেছে সেখানে এই মচ্ছবের কোনো মানে হয়না। শেয়ার বাজারে সর্বসান্ত মানুষগুলোর করুণ মুখ যখন চোখের সামনে ভেসে উঠে তখন বি.পি.এল আর আমার মধ্যে আলোড়ন তুলতে পারেনা।


::::::বিতর্কটি লিখেছেন সামুর ব্লগার মানস সেন::::::