উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোয় এখনো আলোকিত হয়নি বিপিএল। এর আগেই এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের বাতাসে ঢুকে পড়েছে স্পট ফিক্সিংয়ের বিষ। খেলোয়াড়দের কানে পড়ে দেওয়া হচ্ছে স্পট ফিক্সিংয়ের মন্ত্র।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বিপিএল সামনে রেখে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এক ক্রিকেটার। পরশু দলের অনুশীলন শেষে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের ড্রেসিংরুমে এই প্রস্তাব পান মাশরাফি। সাবেক ওই ক্রিকেটার মাশরাফিকে বলেন, বিপিএলে বন্ধুরা মিলে বাজি ধরাধরি করবেন। সেখানে অনেক বড় বড় ব্যবসায়ীও আছেন। মাশরাফি চাইলে এর অংশ হতে পারেন। শুধু আগে থেকে বলে দিতে হবে, কোন ম্যাচে মাশরাফি কোন সানগ্লাস পরে খেলবেন, কখন ক্যাপ পরবেন ইত্যাদি। বিনিময়ে তাঁকে দেওয়া হবে বাজির টাকার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। মাশরাফি তাতে রাজি তো হনইনি, উল্টো কিছু অপমানজনক কথাই শুনিয়ে দিয়েছেন তাঁকে। সাবেক ওই ক্রিকেটার তখন ভুল দরজায় কড়া নেড়েছেন বুঝতে পেরে মাশরাফির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ঘটনাটি কাউকে বলতে নিষেধ করেন। কাল এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাশরাফি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সূত্র নিশ্চিত করেছে, পরশু অনুশীলন শেষে জাতীয় দলের সাবেক তিন-চারজন খেলোয়াড়কে ঢাকার ড্রেসিংরুমে দেখা গেছে। তাঁদের মধ্যে মাশরাফিকে প্রস্তাব দেওয়া সাবেক ক্রিকেটারটি আলাদা করে কথা বলেছেন ঢাকার দুই বাঁহাতি স্পিনারের সঙ্গেও।
সংবাদমাধ্যমে কথা না বললেও সূত্র জানিয়েছে, স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকা গ্ল্যাডিয়টর্সের ম্যানেজমেন্টকে জানিয়েছেন মাশরাফি। মাশরাফির ভয়, দলের অন্য খেলোয়াড়েরা না আবার এই ফাঁদে পা দেন! দু-এক ম্যাচ পর যদি মনে হয় দলের খেলোয়াড়েরা ফিক্সিংয়ে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ছেন, তাহলে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেবেন বলেও জানিয়ে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষকে। এরপর মালিকপক্ষের সঙ্গে ঢাকার টিম ম্যানেজমেন্ট এ নিয়ে আলোচনাও করেন। যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি দলের উপদেষ্টা হাবিবুল বাশার। ফ্র্যাঞ্চাইজির পরিচালক শিহাব হোসেন চৌধুরী ফোন ধরেননি। আর ম্যানেজার শফিকুল হক বলেছেন, ‘আমি এ ব্যাপারে কিছু শুনিনি।’ তবে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে পারে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স।
তাতে কী? বিপিএল নিয়ে যে আশঙ্কাটা ছিল, সেটা তো পাখা মেলে দিয়েছে এর মধ্যেই! গুঞ্জন আছে, বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির অনেক ক্রিকেটারের কাছেই পৌঁছে গেছে স্পট ফিক্সিংয়ের হরেক রকম ‘অফার’। সেই ‘অফার’ যাচ্ছে কখনো সাবেক ক্রিকেটার, কখনো বা ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট অন্য কারও মাধ্যমে। মাশরাফির মতো সবাই-ই কি আর ‘না’ বলছেন তাঁদের!
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বিপিএল সামনে রেখে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এক ক্রিকেটার। পরশু দলের অনুশীলন শেষে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের ড্রেসিংরুমে এই প্রস্তাব পান মাশরাফি। সাবেক ওই ক্রিকেটার মাশরাফিকে বলেন, বিপিএলে বন্ধুরা মিলে বাজি ধরাধরি করবেন। সেখানে অনেক বড় বড় ব্যবসায়ীও আছেন। মাশরাফি চাইলে এর অংশ হতে পারেন। শুধু আগে থেকে বলে দিতে হবে, কোন ম্যাচে মাশরাফি কোন সানগ্লাস পরে খেলবেন, কখন ক্যাপ পরবেন ইত্যাদি। বিনিময়ে তাঁকে দেওয়া হবে বাজির টাকার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। মাশরাফি তাতে রাজি তো হনইনি, উল্টো কিছু অপমানজনক কথাই শুনিয়ে দিয়েছেন তাঁকে। সাবেক ওই ক্রিকেটার তখন ভুল দরজায় কড়া নেড়েছেন বুঝতে পেরে মাশরাফির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ঘটনাটি কাউকে বলতে নিষেধ করেন। কাল এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাশরাফি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সূত্র নিশ্চিত করেছে, পরশু অনুশীলন শেষে জাতীয় দলের সাবেক তিন-চারজন খেলোয়াড়কে ঢাকার ড্রেসিংরুমে দেখা গেছে। তাঁদের মধ্যে মাশরাফিকে প্রস্তাব দেওয়া সাবেক ক্রিকেটারটি আলাদা করে কথা বলেছেন ঢাকার দুই বাঁহাতি স্পিনারের সঙ্গেও।
সংবাদমাধ্যমে কথা না বললেও সূত্র জানিয়েছে, স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকা গ্ল্যাডিয়টর্সের ম্যানেজমেন্টকে জানিয়েছেন মাশরাফি। মাশরাফির ভয়, দলের অন্য খেলোয়াড়েরা না আবার এই ফাঁদে পা দেন! দু-এক ম্যাচ পর যদি মনে হয় দলের খেলোয়াড়েরা ফিক্সিংয়ে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ছেন, তাহলে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেবেন বলেও জানিয়ে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষকে। এরপর মালিকপক্ষের সঙ্গে ঢাকার টিম ম্যানেজমেন্ট এ নিয়ে আলোচনাও করেন। যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি দলের উপদেষ্টা হাবিবুল বাশার। ফ্র্যাঞ্চাইজির পরিচালক শিহাব হোসেন চৌধুরী ফোন ধরেননি। আর ম্যানেজার শফিকুল হক বলেছেন, ‘আমি এ ব্যাপারে কিছু শুনিনি।’ তবে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে পারে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স।
তাতে কী? বিপিএল নিয়ে যে আশঙ্কাটা ছিল, সেটা তো পাখা মেলে দিয়েছে এর মধ্যেই! গুঞ্জন আছে, বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির অনেক ক্রিকেটারের কাছেই পৌঁছে গেছে স্পট ফিক্সিংয়ের হরেক রকম ‘অফার’। সেই ‘অফার’ যাচ্ছে কখনো সাবেক ক্রিকেটার, কখনো বা ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট অন্য কারও মাধ্যমে। মাশরাফির মতো সবাই-ই কি আর ‘না’ বলছেন তাঁদের!