Showing posts with label bpl t20 media. Show all posts
Showing posts with label bpl t20 media. Show all posts

2.15.2012

বিপিএল: ১০ ফিফটির ৯টিই বিদেশীদের ব্যাটে

বিপিএলের মাত্র চতুর্থ দিন শেষ হল। চার দিনে হয়েছে ৮ ম্যাচে ১৬ ইনিংস। এই ১৬ ইনিংসে বিপিএলে এসেছে ১টি মাত্র সেঞ্চুরি আর ১০টি ফিফটি। যার মধ্যে ৯টিই বিদেশীদের ব্যাট থেকে এসেছে।  পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে হিসাব পরিষ্কার। দেশী ক্রিকেটার নয় বিদেশী ক্রিকেটাররাই বিপিএল নিয়ন্ত্রণ করছে। ৯টি ফিফটির মধ্যে ৮টিই এসেছে বিদেশী ব্যাটসম্যানদের ব্যাট থেকে। ১টি ফিফটির মালিক সবেধন নীল মনি অলক কাপলির ৩৬ বলে ৫৬ রান।

বিপিএল ৬ বিভাগের ৬ আইকন ক্রিকেটারদের উপর সবচেয়ে বেশি ফোকাস ছিল। সেই আইকন ক্রিকেটারদের মধ্যে একমাত্র অলক কাপালিই বলার মতো রান করেছেন। বাকিরা সকলেই ব্যর্থ।

ঢাকার আইকন আশরাফুল তিন ম্যাচে করেছেন ৬০ রান। ঢাকার অধিনায়ক মাশরাফি সিলেটের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে কোনো উইকেট পাননি আর ব্যাট হাতে শূন্য রানে ফেরত যান। দ্বিতীয় ম্যাচে মাশরাফি সিলেটের বিপক্ষে রান করার দরকার হয়নি তবে বল হাতে ২২ রানে শিকার করেন ২টি উইকেট।

চট্টগ্রামের আইকন তামিম প্রথম ম্যাচে রাজশাহীর বিপক্ষে মাত্র ৩ রানে আউট! এরপর খুলনা আর ঢাকার বিপক্ষে মাঠেই নামতে পারলেন না।

অপরদিকে খুলনার আইকন আর অধিনায়ক সাকিব কিছুটা হলেও সফল বলা যায়। কারণ তার ব্যাট থেকে তিন ম্যাচে রান এসেছে ৫১ আর বল হাতে তিন ম্যাচে ৩টি মাত্র উইকেট দখল করেছেন।

বরিশালের আইকন ও অধিনায়ক শাহরিয়ার নাফীস ১ ম্যাচে করেছেন ২৮ রান। এবং রাজশাহীর আইকন ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এক ম্যাচে ২২ আরেক ম্যাচে শূন্য।

চট্টগ্রামের তারকা অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ তিন ম্যাচে রান করেছেন ৫৭ আর সবচেয়ে বেশি ২ লাখ ডলার নিলামে বিক্রি হওয়া নাসির হোসেন দুই ম্যাচে রান করেন (২২* ও ৯) তৃতীয় ম্যাচে চট্টগ্রামের বিপক্ষে মাঠে নামার দরকার হয়নি তার।

বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে ক্রিস গেইল সেঞ্চুরি হাঁকান। বরিশালের হয়ে খেলতে নামা গেইল সিলেটের বিপক্ষে ৪৪ বলে ১০১ রান করে অপরাজিত থাকেন। একই ম্যাচে সিলেটের অধিনায়ক পিটার ট্রেগো ৬২ রান করেন (৫৪ বলে)। সিলেটের আইকন ক্রিকেটার অলক কাপালি করেন ৫৬ রান ৩৬ বলে।

নাসির জামসেদ ৫৬ রান (বল ৩৮) চট্টগ্রামের হয়ে-প্রতিপক্ষ রাজশাহী, আহমেদ শেহজাদ ৫৬ (বল ৩৫) বরিশালের হয়ে, প্রতিপক্ষ সিলেট, আহমেদ শেহজাদ ৬২ (বল ৪০) বরিশালের হয়ে, প্রতিপক্ষ রাজশাহী, মিজানুর রহমান ৬৫ (বল ৫২) রাজশাহীর হয়ে, প্রতিপক্ষ-বরিশাল, চন্দরপল ৫০ বলে ৫৯ খুলনার হয়ে, প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম; নাসির জামসেদ ৪৭ বলে ৮৬ চট্টগ্রামের হয়ে, প্রতিপক্ষ খুলনা। খুলনার স্মিথ ৪১ বলে ৫৮ রান করেন বরিশালের হয়ে। আর সর্বশেষ সোমবার ঢাকা-চট্টগ্রামের ম্যাচে ঢাকার কিরণ পোলার্ড ৩৪ বলে ৫০ রান করেন।

2.12.2012

বিপিএল’র টাকার ভাগ চায় দোকানীরাও!

ক্লাবগুলো ভাগ পেয়ে চুপ হয়ে গেছে। পুলিশ টাকার ভাগ চেয়েছে, তারাও পাবে। জাতীয় ক্রীড়াপরিষদের (এনএসসি) কর্মকর্তা কর্মচারিদেরকে এখনও ভাগ দেওয়া হয়নি। তাদের মধ্যে অর্ন্তজ্বালা বেশি। সুযোগ পেয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)’র কাজে এনএসসির কর্মকর্তারা তাই বাঁহাত ঢুকিয়েছে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)’র আয়ের টাকার ভাগ স্টেডিয়ামের দোকানমালিকদেরকেও দিতে বলেছে এনএসসি। তাও মৌখিক নয় লিখিত ভাবে জানিয়েছে। বিপিএলের খেলা চলাকালে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দোকান বন্ধ রাখার ফলে যে আর্থিক ক্ষতি হবে তা বিসিবির কোষাগার থেকে পুষিয়ে দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছে এনএসসি।

খেলার নিরাপত্তার স্বার্থে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের দোকান বন্ধ রাখা হবে বলে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। সেখানে কোন আর্থিক ক্ষতির বিষয় আলোচনায় আসেনি। সমন্বিত নিরাপত্তা বাহিনীও নিরাপত্তার খাতিরে দোকানগুলো বন্ধরাখার জন্য বিসিবিকে চিঠি দেয়। সে অনুযায়ী বিসিবি গত ৪ ফেব্রুয়ারি এনএসসির কাছে দোকান বন্ধের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। কিন্তু সরকারি অফিসে আবেদনপত্র ঢোকার পর ফাইলের নিচে চাপা পড়ে। অনেক তোড়জোরের পর শেষে এনএসসি থেকে একটি চিঠি ইস্যু হয় ৯ ফেব্রুয়ারি, যেদিন বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান।

কিন্তু বিসিবি চিঠি হাতে না পাওয়ায় পরের দিন জোর করে দোকানীরা তাদের ফার্নিচারের পসরা সাজিয়ে বসে। স্টেডিয়ামের দক্ষিণ পাশের গেট ভেঙ্গে মালামালও আনানেওয়া করতে থাকে। শেষে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসে পরিস্থিতি সামাল দেয় বলে জানান শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ভেন্যু প্রশাসক কর্নেল (অব:) আবুল কামাল মো. জাকি, ‘এনএসসির কাছ থেকে আমাদেরকে চিঠি দিতে দেরি করায় বড় সমস্যায় পড়তে হয়। দোকানমালিকদের দাবি এনএসসির চিঠি না পেলে তারা ব্যবসা চালিয়ে যাবে। শেষে শুক্রবার সকাল ১০টায় ক্রীড়াপল্লীর প্রশাসক সাইফুর রহমানের কাছ থেকে চিঠি আনিয়ে দোকান মালিকদের দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ভাগ্যিস পুলিশ সময় মতো উপস্থিত হয়েছিলো।’

দোকান মালিকদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলে চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর বক্তব্য,‘এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে যেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে দোকান বন্ধরাখার। কোন আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি সেখানে এনএসসি ক্ষতিপূরণ দিতে বলছে। আজ বিপিএল হচ্ছে বলে টাকা দিতে বলছে। এরপর যে কোন খেলার জন্য দোকান বন্ধরাখতে হলে তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। স্টেডিয়ামে দোকান থাকায় এমনিতেই আইসিসির আপত্তি আছে। তারওপর এসএসসির এমন সিদ্ধান্ত বিস্ময়কর! কোথায় স্টেডিয়াম থেকে দোকান সরিয়ে নেবে, তা না দোকানদারদের হয়ে কাজ করছে এনএসসি।’

এনএসসির চিঠিতে উল্লেখ আছে: ‘গত ৩০/০১,২০১২ইং তারিখ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আলোচনা হয় যে খেলা চলাকালীন দিনসমূহতে দোকান বন্ধ রাখার ফলে দোকান মালিকদের যে আর্থিক ক্ষতি হবে তা বিসিবি ও দোকান মালিক সমিতি যৌথভাবে বসে আলোচনা করে ক্ষতি নির্ধারণ পূর্বক বিসিবি আর্থিক ক্ষতি পূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

কোন কারণে বিসিবি এখন দোকানমালিকদেরকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ না দিলে এনএসসির প্রজ্ঞাপন নিয়ে আদালত পর্যন্ত যেতে পারবে তারা।

এদিকে এনএসসি পরিচালক (প্রশাসন) শেখ আতাহার হোসেনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

খবরঃ বাংলা নিউজ ২৪

বিপিএল কর্তৃপক্ষকে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আলটিমেটাম

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অপসংস্কৃতি প্রদর্শনের ঘটনায় বিপিএল কর্তৃপক্ষকে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। ১৮ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে ক্ষমা না চাইলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দেয়ার কথাও বলেছে জোটটি। গতকাল বিকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ। প্রতিবাদ সমাবেশের সভাপতি হিসেবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রগতি হোক তা আমরাও চাই। কিন্তু ক্রিকেটের নাম ভাঙিয়ে ফায়দা লোটা হচ্ছে আজ। বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যে অপসংস্কৃতি প্রদর্শন করা হয়েছে, তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। অনুষ্ঠানে একুশ ও বাংলা ভাষাকেও অপমান করা হয়েছে। কাজেই বিপিএল কর্তৃপক্ষকে ক্ষমা চাইতেই হবে। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।’ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ বলেন, দেশের মূল্যবোধ আজ ভূলুণ্ঠিত। একটি চ্যানেল উদ্বোধনীতেই যেভাবে অপসংস্কৃতি প্রদর্শন করলো, তারপর এটাই বলতে হবে যাকে-তাকে চ্যানেল দেয়া ঠিক নয়। বাংলাদেশে গণশিল্পী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ফকির আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক ও রুটির সংগ্রামের চেয়ে রুচির সংগ্রাম কোন অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই এ ধরনের অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

খবরঃ মানবজমিন

অপসংস্কৃতি প্রদর্শন,বিপিএল কর্তৃপক্ষকে ক্ষমা চাইতে হবে

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অপসংস্কৃতি প্রদর্শনের ঘটনায় বিপিএল কর্তৃপক্ষকে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ক্ষমা না চাইলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়ার কথাও বলেছে জোটটি।
আজ শনিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি গোলাম কুদ্দুছ। প্রতিবাদ সমাবেশের সভাপতি হিসেবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রগতি হোক তা আমরাও চাই। কিন্তু ক্রিকেটের নাম ভাঙিয়ে ফায়দা লোটা হচ্ছে আজ। বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যে অপসংস্কৃতি প্রদর্শন করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অনুষ্ঠানে একুশ ও বাংলা ভাষাকেও অপমান করা হয়েছে। কাজেই বিপিএল কর্তৃপক্ষকে ক্ষমা চাইতেই হবে। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ বলেন, দেশের মূল্যবোধ আজ ভূলুণ্ঠিত। একটি চ্যানেল উদ্বোধনীতেই যেভাবে অপসংস্কৃতি প্রদর্শন করল, তারপর এটাই বলতে হবে যাকে-তাকে চ্যানেল দেওয়া ঠিক নয়।
উদীচীর সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল আলম বলেন, বাঙালি সংস্কৃতি সুন্দর ও শালীন। বিপিএল তাতে আঘাত হেনেছে। যারা এই আঘাত করেছে, তাদের গ্রেপ্তার করে বিচার করতে হবে।
আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহকামউল্লাহ বলেন, ‘উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা হয়েছে, তাতে লজ্জায় আমাদের মাথা হেঁট হয়ে গেছে। কেবল প্রতিবাদই নয়, এ ধরনের অপসংস্কৃতি আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে।’
বাংলাদেশ পথনাটক পরিষদের সভাপতি নাট্যকার মান্নান হীরা বলেন, যে অপসংস্কৃতি প্রদর্শন করা হয়েছে, সেটি ফড়িয়া ও ফাটকাবাজদের সংস্কৃতি। মুনাফার জন্য তারা এটি করেছে। এ দেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার যেমন জরুরি, তেমনি সংস্কৃতি হত্যাকারীদেরও বিচার করতে হবে।
বাংলাদেশে গণশিল্পী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ফকির আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক ও রুটির সংগ্রামের চেয়ে রুচির সংগ্রাম কোনো অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই এ ধরনের অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

খবরঃ প্রথম আলো

2.11.2012

বিপিএল খেলতে স্যামির অনাগ্রহ

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) প্রথম আসরে খেলার ব্যাপারে নিজের অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে ৫৫ হাজার ডলারে সিলেট রয়্যালস স্যামিকে নিলামে কিনে নিয়েছিল।
এ প্রসঙ্গে স্যামি জানিয়েছেন, আগামী মাস থেকে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের সাথে যুক্ত হতে পেরে তিনি আয়োজকদের কাছে কৃতজ্ঞ কিন্তু নিজ দেশের ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক টুর্ণামেন্টকেই তিনি সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিতে চান।
স্যামি বলেন, ‘একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে অন্য দেশে খেলার প্রস্তাব পেয়ে সত্যিই আমি কৃতজ্ঞ ও গর্বিত। বিষয়টি নিয়ে আমি আমার পরিবারের সাথে আলোচনা করেছি। এ ব্যাপারে আমি অনেক চিন্তাও করেছি। কিন্তু সবকিছু বিবেচনা করে আমি বিপিএল কর্তৃপক্ষ এবং সিলেট রয়্যালসকে এই মুহূর্তে প্রস্তাবটি গ্রহণ করতে না পারার বিষয়টি ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছি। ক্রিকেট পাগল বাংলাদেশী সমর্থকদের সামনে খেলতে পারাটা আমি খুব উপভোগ করি। কিন্তু বিপিএল এর সূচী চলাকালীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের রিজিওনাল ৪ দিনের টুর্নামেন্ট থাকায় আমার পক্ষে খেলা সম্ভব নয়।’
এছাড়া মার্চ মাসের মাঝামাঝিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আসবে অস্ট্রেলিয়া। এটা আমাদের জন্য অবশ্যই বেশ কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং সিরিজ। আর তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়া সফরবে সামনে রেখে আমার জন্য ৪ দিনের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করাটাই ভাল হবে। এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের জন্য প্রস্তুতিটাও যথার্থ এবং পরিপূর্ণ হবে।’

খবরঃ বাংলাটাইমস ২৪